শিরোনাম
ফলোআপ / মাকসুদা হত্যা মামলা রিমান্ড শেষে আসামী আদালতে প্রেরণ
বন্দর প্রতিবেদকঃ বন্দরে আলোচিত মাকসুদা বেগম (৬৪) হত্যা মামলার ৩ নং এজাহারভূক্ত আসামী তায়েম হাবিব (২৪)কে ১ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফের তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত থেকে রিমান্ডে আনে পুলিশ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের সুকমপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই হত্যা মামলার আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামী তায়েম হাবিব বন্দর থানার মাহামুদনগর এলাকার ওয়ালিদ মুন্সী ছেলে। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় বন্দর থানার মাহামুদনগর এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে নিহতের বড় ছেলে ব্যবসায়ী নাদিম মিয়া বাদী হয়ে ঘাতক সাদ্দাম ও সামাউন হাবিবসহ ৯ জনকে আসামী করে বন্দর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন তিনি।
মামলার তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার মাহামুদনগর এলাকার তুরাগ আলী ছেলে সাদ্দামের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে ভাঙ্গারী ব্যবসার পাওনা ১৯ লাখ টাকা নিয়ে একই এলাকার মৃত নাজির সরদারের ছেলে মামলার বাদী নাদিমের ছোট দুই ভাই জজ মিয়া ও রাসেলের সাথে বিরোধ চলছিল। দেনাদার সাদ্দাম পাওনা টাকা না দিয়ে নানা ভাবে তালবাহানা করে আসছিল।

গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় পাওনাদারের মা মাকসুদা বেগম দেনাদার সাদ্দামের নিকট পাওনা ১৯ লাখ টাকা চাইলে ওই সময় দেনাদার সাদ্দাম ও একই এলাকার মৃত হবিউল্ল্যাহ মাদবর ৩ ছেলে সামাউন হাবিব, অলিদ, খোকন ও ওয়ালিদ মুন্সি ছেলে তায়েম হাবিব ও একই এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে সিয়ামসহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন ক্ষিপ্ত হয়ে
দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পাওনাদার ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী রাসেলের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
ওই সময় হামলাকারিরা রাসেলকে কুপিয়ে জখম করার সময় তার মা মাকসুদা বেগম হামলাকারিদের বাধা দিলে উল্লেখিত হামলাকারিরা মাকসুদা বেগম ও শফিকুলকে কুপিয়ে
জখম করলে ঘটনাস্থলেই মাকসুদা বেগমের মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোঃ আবদুল আলিম উদ্দিন জানান, মাকসুদা বেগম হত্যা মামলায় ১নং আসামী সাদ্দাম বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। সে সাথে মামলার
৩নং এজাহারভূক্ত আসামী তায়েম হাবিবকে ১ দিনের রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যথাযথ নিয়মে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। #



