নারায়ণগঞ্জ  শুক্রবার | ৯ই জানুয়ারি, ২০২৬ | ২৫শে পৌষ, ১৪৩২ শীতকাল | ১৯শে রজব, ১৪৪৭

শিরোনাম
  |   আড়াইহাজারে আগুনে পুড়ে গেল ৩ কৃষকের ৬ বিঘা জমির আখ    |   সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধ    |   বন্দরে দেশ গড়ার পরিকল্পনা শীর্ষক প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত   |   ১৭ মাসে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথ দুর্ঘটনায় ১৩ হাজার ৪০৯ জন নিহত   |   বন্দর প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া   |   বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র মাদক সহ ফাইটার মনিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   |   খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় সোহেল ও বন্ধু মহলের মিলাদ দোয়া   |   হাদির হত্যা: বিচারের পথে অগ্রগতি, না কি সময়ক্ষেপণের নতুন কৌশল ?    |   কেন্দ্রীয় জাসাস নেতা সানি হাসপাতালে আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন পরিবার    |   খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় মহানগর বিএনপির দোয়া   |   বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় মাসুদুজ্জামানের উদ্যেগে দোয়া   |   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জে ৪০ জন প্রার্থী বৈধ ঘোষণা    |   খালেদা জিয়ার শান্তি কামনায় চাঁন মিয়ার দোয়া মাহফিলে চরম হট্টগোল    |   খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় না’গঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া   |   নারায়ণগঞ্জে ৫ টি আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে বৈধ ৩৬ প্রার্থী বাতিল ১৬   |   খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল   |   নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের ৫ম তলায় ইন্টেরিয়র উন্নয়নের শুভ উদ্বোধন   |   খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের উদ্যোগে দোয়া   |   নাগবাড়িতে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা   |   নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজার – ২ আসনে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা
 প্রচ্ছদ   কলাম   ফারদিনের মৃত্যু পরিবারের স্বপ্ন আকাঙ্খার অপমৃত্যু ! এ নদী এখন লাশের ভাগার— রফিউর রাব্বি 
ফারদিনের মৃত্যু পরিবারের স্বপ্ন আকাঙ্খার অপমৃত্যু ! এ নদী এখন লাশের ভাগার— রফিউর রাব্বি 
  কলাম || নারায়ণগঞ্জেরখবর.কম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২
রফিউর রাব্বিঃ ফারদিন নূর পরশ । ২৩ বছর বয়স । পৈত্রিক বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় , ঢাকায় থাকত । বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৮ তম ব্যাচের মেধাবী ছাত্র । বুয়েটে মেধা তালিকায় তৃতীয় হয়েছিল ফারদিন । সে তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় । তার বাবা সাংবাদিকতা করেন । আর্থিক টানাপোরেনের সংসারে ফারদিন নিজে টিউশনি করে নিজের খড়চ চালিয়ে পরিবারে কিছুটা সহায়তা করতো । তাকে নিয়ে পরিবারে নানা স্বপ্ন তৈরী হয়েছিল । অথচ গত শুক্রবার নিখোঁজ হয় ফারদিন , আর তিন দিন পর গত পড়শু তার লাশ পাওয়া যায় । ঘাতকরা ছেলেটিকে হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে রাখে । এই শীতলক্ষ্যায় ভেসেছে অসংখ্য লাশ । ১৯৭১ সালে দেখেছি শতশত লাশ এই নদীতে ভেসে চলেছে । পাকিস্তানী ঘাতকরা বাঙালিদের হত্যা করে এই শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দিত । তারপর ত্বকী , আশিক , চঞ্চল , বুলু , সাতখুন অসংখ্য লাশ । এই নদী প্রতিনিয়ত বয়ে চলেছে লাশের মিছিল । এ মিছিল থামছেই না । এক সময় এই শীতলক্ষ্যার পানি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের পানের একমাত্র অবলম্বন । তা বেশিদিন আগের কথা নয় । অথচ এখন এই নদী লাশের ভাগার । দেশ স্বাধীন হলেও ঘাতকরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় নি । বরং আরও শক্তিশালি হয়েছে । সরকারের ছত্রছায়ায় তারা এখন সর্বশক্তিমান । এদের আইনের আওতায় আনা যায় না । এ সবের বিচার হয় না । এইটি এক ফারদিনের মৃত্যু শুধু নয় , একটা পুরো পরিবারের স্বপ্ন আকাঙ্খার অপমৃত্যু ।#

গাছ লাগান পরিবেশ বাচাঁন, যোগাযোগ ভাই ভাই নার্সারী মোবাইল – ০১৭১২২৫৬৫৯১

এ সম্পর্কিত আরো খবর...