ভূমিদস্যুতা / ভূমি দৎসুদের বিরুদ্ধে মামলা করে জীবন বাঁচাতে এলাকা ছাড়াল আমির হোসেন
বন্দর প্রতিবেদকঃ বন্দরে ভূমি দৎসুদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে জীবন বাঁচাতে এলাকা ছাড়া হয়ে প্রবাসে জীবন যাপন করছে আমির হোসেন নামে এক ভূক্তভোগী যুবক।

যার সি আর মামলা নং-১৫/২০২৬। ভূক্তভোগী যুবকের পরিবারের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বন্দর থানার ২৩ নং ওয়ার্ডরর উইলসন রোড কবিলের মোড় এলাকার নাছির মিয়া ও তার ছেলে আমির হোসেনের সাথে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একই এলাকার আনোয়ার হোসেন মিয়ার দুই ছেলে আলমগীর হোসেন ও তার ছোট ভাই জনি গংদের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২০১৫ইং সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ১১৮৩৪ নং দলিল মূলে তাহার পিতার নিকট হইতে হেবা ঘোষনাপত্র দলিল মূলে মালিক হইয়া নিজ নামে গত ২১ জুন ২০১৬ ইং ১০৮৩৯/১৫-১৬ নং রামজারী ও জমাভাগ মূলে নিজ নামে নামজারি ও জমাভাগ করে গত ২০২৪ ইং সালের ২৪ অক্টোবর ১০৯৫৮ নং দলিল মূলে ২নং স্বাক্ষী মোঃ নাছির বরাবরে হস্তান্তর করে দখলাদী বুঝিয়ে দেয়। মামলার ২ নং স্বাক্ষী নাছির দলিল মূলে নালিশা সম্পত্তিতে মালিক হইয়া ভোগ দলকার থাকাবস্থায় উল্লেখিত বিবাদীগন ২নং স্বাক্ষি নাছিরকে নালিশা ভূমি হইতে হুমকি দেয় এবং নালিশা সম্পত্তিতে তাহাদের স্বত্ব আছে মর্মে দাবি করে। ২নং স্বাক্ষী নাছির মিয়া কাগজপত্র চাইলে উল্লেখিত বিবাদীগন গত ২০১৬ ইং সালের ৯ মার্চ ৩৩৯০ নয় ২টি দলিল দাখিল করে। ২নং স্বাক্ষী উক্ত বিষয়টি বাদীপক্ষ ও ৩ নং স্বাক্ষীকে জানাইলে তার দলিলের বিষয়টি অস্বীকার করে জানায় তাহার উক্ত দলিল ২টি সম্পাদন করেননি।

এমনকি তাহার উক্ত দলিলের বিষয়ে কিছু জানেও না। সকল বিবাদী যোগসাজেসে ২নং স্বাক্ষীর সম্পত্তবগ্রাস করার হীন উদ্দেশ্য জাল জালিয়াতি মাধ্যমে বাদীপক্ষ ও ৩নং স্বাক্ষীর নাম ব্যবহার করে তাদের পরিবর্তে অন্য লোকদের দাড় করে উক্ত ৩২৯২ ও ৩৩৯০ নং দলিল ২টি সৃজন করেছে। এ ব্যাপারে তৎসময়ে দেওয়ানী মামলার বাদী আমির হোসেন প্রতিবাদ করলে বিবাদী ভূমিদৎসু আলমগীর হোসেন জনী ও তার ছোট ভাই রাহিম উল্লেখিত মামলার বাদীকে একাধিকবার হত্যার ব্যার্থ চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে ভূমিদৎসুদে অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে প্রান বাঁচাতে দেওয়ানী মামলার বাদী আমির হোসেন বর্তমানে প্রবাসে আত্মগোপন করে বর্তমানে তার পরিবার পরিজনরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। ভূমিদৎসুদের কবল থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগী প্রবাসী আমির হোসেন ও তার পরিবার। #



