শিরোনাম
১০ ইয়াবার বিনিময়ে শুভকে ডেকে আনা হয় / চাষাড়ায় শুভ হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার ৩
নারায়ণগঞ্জের খবর প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া হকার্স মার্কেট এলাকায় শুভ নামের যুবকে গুলি করে হত্যার ২৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটন করে জড়িত ০৩ জনকে গ্রেফতার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো মোঃ সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন (৪৫),
সিয়াম আহমেদ সিজান (২১), মোঃ সোহান (২৪)। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে আসামিদের ব্যবহৃত ০১টি মোটরসাইকেল, ০৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার এবং ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
জেলা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান,
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার চাষাড়া এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর শুভ চন্দ্র দাস (৩০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ০৩ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। গত ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত আনুমানিক ১ টায় স্থানীয় সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন হকার্স মার্কেটের পিছনে দুর্গামলের সামনে রাস্তা থেকে শ্রী শুভ চন্দ্র দাস (৩০), গুলিবিদ্ধ ও চাকু দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহত শুভর পিতা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা এজাহার দায়ের করেন।

ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলায় নবাগত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) জনাব মোঃ হাসিনুজ্জামান এর তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল ছায়া তদন্তে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত পরিচালনা করে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অনিক ও সুমন শুভকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের বিনিময়ে শুভর সহযোগী সোহানকে ব্যবহার করে শুভকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়। পরবর্তীতে অনিক ও অহিদের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল শুভকে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। এ সময় অনিক ও অহিদ শুভকে গুলি করে এবং অন্যান্য সহযোগীরা চাকু দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। #



