ধর্ষণ / ৪র্থ শ্রেণী ছাত্রী ধর্ষনে পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ
বন্দর প্রতিবেদকঃ বাড়ী উঠানে খেলা করার সময় ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী (১২)কে মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষনের ঘটনায় থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। ছাত্রী ধর্ষন মামলায় পলাতক আসামী ধর্ষক ইউসুফকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী নানী বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে লম্পট ধর্ষক ইউসুফকে আসামী করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন তিনি। যার মামলা নং- ১৯(৪)২৬। পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। ধর্ষনের ঘটনার পর থেকে লম্পট ধর্ষক ইউসুফ পলাতক রয়েছে। এর আগে গত রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় বন্দর থানার ২৪ নং ওয়ার্ডের দেউলী চৌরাপাড়া এলাকায় ধর্ষকের বাড়ীতে এ ঘটনাটি ঘটে।
মামলার তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার দেউলী চৌরাপাড়া এলাকার মৃত কাশেম আলী মিয়ার ছেলে লম্পট ইউসুফ ও মামলার বাদিনী সম্পর্কে এলাকার প্রতিবেশী দেবর। বাদিনী নাতনি (১২) আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণীতে লেখাপড়া করে আসছে। অপরদিকে বাদিনী বাবুর্চিদের সাথে বিভিন্ন এলাকায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। সে সুবাদে বাদিনী নাতনি বাসায় একা থাকত। এর ধারাবাহিকতায় গত রোববার (১২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় বাদিনী তার প্রয়োজনীয় একটি কাজের জন্য কিস্তি অফিসে আসে।

পরবর্তীতে ওই দিন বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে কাজ শেষে বাদিনী তার নিজ বাড়ীতে এসে তার নাতনিকে কান্নাকাটো করতে দেখে। ওই সময় বাদিনী অর্থাৎ নানী তার নাতনিকে কান্নাকাটির বিষয় জানতে চাইলে ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রী জানায় ওই দিন বিকেল ৪টায় বাড়ি উঠানে খেলাধুলা করার সময় ইউসুফ উল্লেখিত ছাত্রীকে মুখ চেপে ধরে তাদের বাড়িতে জোর পূর্বক নিয়ে যায়। পরে সেখানে ভুক্তভোগী ছাত্রীতে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজি না হওয়ায় ওই সময লম্পট ইউসুফ ক্ষুদে শিক্ষার্থীকে জোর পূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ধর্ষনের ঘটনার পর থেকে ধর্ষক পলাতক রয়েছে। ধর্ষককে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে। #



