নারায়ণগঞ্জ  শুক্রবার | ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ | ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বসন্তকাল | ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭

শিরোনাম
  |   অনুমোদনহীন মোড়কে ভোজ্য তেল বিক্রির অপরাধে দেড় লাখ টাকা জরিমানা   |   হোসেনপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ,ক্ষোভ এলাকাবাসী   |   গার্মেন্টসের ঝুট নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ দু’জন গুলিবিদ্ধ আহত পাঁচ   |   জমি নিয়ে বিরোধ পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ১০ লাখ টাকা মাছ হত্যার অভিযোগ   |   ৪ বছর পর নয়ন মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ১   |   মানুষ নিরাপদ অভিবাসনের সঠিক পথ জানলে মানবপাচার রোধ সম্ভব হবে   |   নবাববাড়ি মার্কেটে আগুন দেওয়া অপরাধী দেলাওয়ারকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে   |   বন্দরে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপযস্ত   |   কৃষকের শতাধিক সবজী গাছ কেটে নিল দুর্বৃত্তরা   |   ইটিপি প্লান ছাড়া পরিচালিত তিনটি ডায়িংয়ের  বিদুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন   |   বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   |   নারায়ণগঞ্জ ক্লাব স্বাধীনতা কাপ স্নুকার চ্যাম্পিয়নশীপ উদ্বোধন    |   কাঁচপুরে দিঘি থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার   |   নিখোঁজের একদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, পাশবিক নির্যাতনে হত্যা পুলিশ   |   শম্ভুপুরা ইউনিয়নে আলোচনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইদুর রহমান শিমুল   |   ৮৮ লক্ষ টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড   |   দুটি ইটভাটায় অভিযান আইন লংঘনে এক লাখ বিশ হাজার টাকা জরিমানা   |   মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান দুই গ্রুপের সংঘর্ষ পুলিশের লাঠিচার্জ   |   ৩২ কেজি গাঁজা সহ প্রাইভেটকার আটক করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ   |   জেলা পুলিশ লাইন্সে ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক স্বাস্থ্য শিক্ষা সেশন অনুষ্ঠিত
 প্রচ্ছদ   মহানগর   এলপিজি গ্যাস সংকটে মাটির চুলাই আস্থা লাকড়ী দোকান গুলোতে ভীড়
এলপিজি গ্যাস / এলপিজি গ্যাস সংকটে মাটির চুলাই আস্থা লাকড়ী দোকান গুলোতে ভীড়
  মহানগর || নারায়ণগঞ্জেরখবর.কম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

বন্দর প্রতিবেদকঃ বন্দরে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে কারনে কদর বেড়ছে লাকড়ী চুলার।  হোটেল রোস্তোরা মালিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষেরা এলপিজি গ্যাস না পেয়ে বিভিন্ন লাকড়ী দোকান গুলোতে ভীড় করতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি কারনে সারাদেশের ন্যায় বন্দরে বিভিন্ন এলাকায়  ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মোবাইল কোট পরিচালনা করে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা দোকানীদের জরিমানা করা হয়। এর কয়েকদিন পরই সারাদেশে এলপি গ্যাস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার। যার ফলে বিপাকে পড়ে ভুক্তভোগী  সাধারন মানুষ।
কবে এ সমস্যা থেকে কবে মুক্তি মিলবে তাও জানা নেই।
এ অবস্থায় গ্যাসের চুলার বিকল্প হিসেবে বন্দরে কদর বেড়েছে লাকড়ী চুলার। আবাসিক গ্রাহকরা লাকড়ী চুলার দিকে ঝুঁকছেন। সেইসঙ্গে চুলার কারিগরদেরও বেড়েছে ব্যস্ততা। আগে লাকড়ী চুলা তেমন বিক্রি না হলেও এখন প্রতিনিয়তই বিক্রি হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নসহ  সিটি এলাকা যথাক্রমে বন্দর ২১নং ওয়ার্ড শাহীমসজিদ,ছালেহনগর,এনয়েত নগর, ২২নং ওয়ার্ডের বন্দর বাজার,খানবাড়ি,২৩নং২০নং ওয়ার্ড সোনাকান্দা,মাহমুদ নগর,১৯নং ওয়ার্ড মদনগঞ্জ,২৪নং নবীগঞ্জ,লক্ষনখোলা,দাসের গাও,২৭ নং হরিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট চলছে।
এসব এলাকার মানুষজন সময়মতো রান্না করে খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না। বিশেষ করে সরকারি-বেসরকারি অফিসগামী মানুষজন সকালবেলা বাসা থেকে নাস্তা করে বের হতে পারছেন না। সময়মতো খাবার খেতে পারছেন না তারা।
এ অবস্থায় যাদের বাসায় লাকড়ী দিয়ে রান্নার ব্যবস্থা রয়েছে তারা লাকড়ী চুলা কিনে নিজেদের খাবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন। তারা সিমেন্টের বা মাটির তৈরি চুলা বাসায় রাখছেন। যখন গ্যাসের দেখা মিলছে না তখনই মাটির চুলা  গৃহিণীদের একমাত্র  আস্তা।


ঘারমোড়া এলাকার মাটি চুলা প্রস্তুতকারি সেলিম মিয়া  জানান, ‘আগে লাকড়ির চুলা বিক্রি হতো না। এখন নিয়মিতই বিক্রি হচ্ছে। রড-বালু-সিমেন্টের সমন্বয়ে এই চুলা তৈরি করা হয়। প্রকারভেদে চুলার দামও ভিন্ন। ৩০০-৫০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে এসব চুলা। বন্দর রেল লাইন এলাকার স্যানিটারি ব্যবসায়ী সোহাগ বলেন, ‘আমার এখানে কয়েকটি চুলা তৈরি করা ছিল। গত কয়েকদিনে সেগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। এখন আবার নতুন করে চুলা তৈরি করছি। আগের তুলনায় চুলার চাহিদা বেড়েছে।

বন্দরের সোনাকান্দা এলাকার মাটির চুলা বিক্রেতা কুলছুম বলেন, ‘এখন নিয়মিতই মাটির চুলা বিক্রি হচ্ছে। তাই মাটির চুলা তৈরি করছি।’
আরেক মাটির চুলা বিক্রেতা জুলহাস বলেন, ‘প্রতিদিনই মাটির চুলা বিক্রি হচ্ছে। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা করে চুলা বিক্রি করছে। শহর ও বন্দরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন এসে চুলা নিয়ে যাচ্ছেন।’
বন্দর বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফরোজা আক্তার বলেন, ‘দিনের বেলা একেবারেই গ্যাস থাকে না। রাতে নিভু নিভু করে যা থাকে তাতে কোনো কাজই করা যায় না। রান্না-খাওয়ার খুব কষ্ট হয়। তাই উপায় না পেয়ে মাটির চুলায় রান্না করতে হয়। মাটির চুলায় রান্না করেও মাসে মাসে গ্যাস বিল দিতে হয়।’সোনাকান্দা এলাকার বাসিন্দা ইমন হোসেন বলেন, ‘গ্যাসের ব্যাপারে বলার কিছু নেই। গত কয়েক মাস সকালে একদিনও বাসায় খেতে পারি না। দোকান থেকে নাস্তা কিনে খেতে হয়। বাসায় একটি লাকড়ির চুলা কিনে এনেছি। কিন্তু এই চুলা দিয়ে বাসার সবার রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। খুবই খারাপ অবস্থার মধ্যে আছি আমরা।’মদনপুর এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে রাত ১১টার পর গ্যাস থাকলেও এখন গভীর রাতেও গ্যাস পাওয়া যায় না। গ্যাসের অভাবে আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে।#

গাছ লাগান পরিবেশ বাচাঁন, যোগাযোগ ভাই ভাই নার্সারী মোবাইল – ০১৭১২২৫৬৫৯১

এ সম্পর্কিত আরো খবর...