নারায়ণগঞ্জ  | | |

শিরোনাম
  |   সরকারের প্রতি আস্থা রেখে ত্বকী সহ আলোচিত হত্যার বিচার চাইলেন – রফিউর রাব্বি   |   নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে ব্যাবস্থা নিলেন নজরুল ইসলাম আজাদ   |   ফেনসিডিলের বিকল্প মাদক এক হাজার বোতল এসকাফ সিরাপ আটক   |   নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকা সম্প্রসারনে যুক্ত হচ্ছে চার ইউনিয়ন   |   বন্দরে ৫ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীসহ ৭ জন গ্রেপ্তার   |   বন্দরে আইনশৃঙ্খলা চরম অবনতি ১ মাসে ৭ খুন, ৪ লাশ উদ্ধার ৭ ধর্ষণ   |   জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব প্রস্ততিতে মতবিনিময় সভা   |   তালিমুল কুরআন প্রি-ক্যাডেট মাদরাসায় বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী সংবর্ধনা   |   আড়াইহাজারে অটোরিকশাচালককে হত্যা করে গাড়ি ছিনতাই   |   জাঙ্গাল আইলপাড়ায় এক হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন    |   তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে বড় ঘাটতি পাবলিক প্লেসে প্রকাশ্যে ধূমপান   |   শিবা সানু ও বেবীকে আনিসুল ইসলাম সানির শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন   |   মেঘনায় গভীর রাতে পিতা পুত্রকে কুপিয়ে মাছ ধরার জাল ও নগদ টাকা লুট   |   চাষাঢ়ায় সাংবাদিক প্রীতি’র ‘ফুড এন্ড ফ্যাশন কালেকশন’ এর শো-রুম উদ্বোধন    |   রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নাট্যজন  আনিসুল ইসলাম সানিকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা   |   ময়লা ফেলতে ১০০ টাকার বেশী দাবি করলে প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি বাতিল – প্রশাসক   |   শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যাক্তিকে অটোরিকশা দিল এমপি আজাদ   |   পদ্মা রেলসেতুর মাটি অপসারণে রেললাইন ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না – রেলপথ মন্ত্রী    |   ছিনতাইকারী চোর সন্দেহে ওরা ১২ জন আটক   |   হানি ট্র্যাপে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সর্বস্ব লুট ৭ জন গ্রেপ্তার
 প্রচ্ছদ   মহানগর   এলপিজি গ্যাস সংকটে মাটির চুলাই আস্থা লাকড়ী দোকান গুলোতে ভীড়
এলপিজি গ্যাস / এলপিজি গ্যাস সংকটে মাটির চুলাই আস্থা লাকড়ী দোকান গুলোতে ভীড়
  মহানগর || নারায়ণগঞ্জেরখবর.কম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

বন্দর প্রতিবেদকঃ বন্দরে এলপিজি গ্যাস বিক্রি বন্ধে কারনে কদর বেড়ছে লাকড়ী চুলার।  হোটেল রোস্তোরা মালিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষেরা এলপিজি গ্যাস না পেয়ে বিভিন্ন লাকড়ী দোকান গুলোতে ভীড় করতে দেখা গেছে।

বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, এলপিজি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি কারনে সারাদেশের ন্যায় বন্দরে বিভিন্ন এলাকায়  ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মোবাইল কোট পরিচালনা করে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা দোকানীদের জরিমানা করা হয়। এর কয়েকদিন পরই সারাদেশে এলপি গ্যাস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রজ্ঞাপন দেয় সরকার। যার ফলে বিপাকে পড়ে ভুক্তভোগী  সাধারন মানুষ।
কবে এ সমস্যা থেকে কবে মুক্তি মিলবে তাও জানা নেই।
এ অবস্থায় গ্যাসের চুলার বিকল্প হিসেবে বন্দরে কদর বেড়েছে লাকড়ী চুলার। আবাসিক গ্রাহকরা লাকড়ী চুলার দিকে ঝুঁকছেন। সেইসঙ্গে চুলার কারিগরদেরও বেড়েছে ব্যস্ততা। আগে লাকড়ী চুলা তেমন বিক্রি না হলেও এখন প্রতিনিয়তই বিক্রি হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নসহ  সিটি এলাকা যথাক্রমে বন্দর ২১নং ওয়ার্ড শাহীমসজিদ,ছালেহনগর,এনয়েত নগর, ২২নং ওয়ার্ডের বন্দর বাজার,খানবাড়ি,২৩নং২০নং ওয়ার্ড সোনাকান্দা,মাহমুদ নগর,১৯নং ওয়ার্ড মদনগঞ্জ,২৪নং নবীগঞ্জ,লক্ষনখোলা,দাসের গাও,২৭ নং হরিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট চলছে।
এসব এলাকার মানুষজন সময়মতো রান্না করে খাওয়া-দাওয়া করতে পারছেন না। বিশেষ করে সরকারি-বেসরকারি অফিসগামী মানুষজন সকালবেলা বাসা থেকে নাস্তা করে বের হতে পারছেন না। সময়মতো খাবার খেতে পারছেন না তারা।
এ অবস্থায় যাদের বাসায় লাকড়ী দিয়ে রান্নার ব্যবস্থা রয়েছে তারা লাকড়ী চুলা কিনে নিজেদের খাবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন। তারা সিমেন্টের বা মাটির তৈরি চুলা বাসায় রাখছেন। যখন গ্যাসের দেখা মিলছে না তখনই মাটির চুলা  গৃহিণীদের একমাত্র  আস্তা।


ঘারমোড়া এলাকার মাটি চুলা প্রস্তুতকারি সেলিম মিয়া  জানান, ‘আগে লাকড়ির চুলা বিক্রি হতো না। এখন নিয়মিতই বিক্রি হচ্ছে। রড-বালু-সিমেন্টের সমন্বয়ে এই চুলা তৈরি করা হয়। প্রকারভেদে চুলার দামও ভিন্ন। ৩০০-৫০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে এসব চুলা। বন্দর রেল লাইন এলাকার স্যানিটারি ব্যবসায়ী সোহাগ বলেন, ‘আমার এখানে কয়েকটি চুলা তৈরি করা ছিল। গত কয়েকদিনে সেগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। এখন আবার নতুন করে চুলা তৈরি করছি। আগের তুলনায় চুলার চাহিদা বেড়েছে।

বন্দরের সোনাকান্দা এলাকার মাটির চুলা বিক্রেতা কুলছুম বলেন, ‘এখন নিয়মিতই মাটির চুলা বিক্রি হচ্ছে। তাই মাটির চুলা তৈরি করছি।’
আরেক মাটির চুলা বিক্রেতা জুলহাস বলেন, ‘প্রতিদিনই মাটির চুলা বিক্রি হচ্ছে। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা করে চুলা বিক্রি করছে। শহর ও বন্দরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন এসে চুলা নিয়ে যাচ্ছেন।’
বন্দর বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফরোজা আক্তার বলেন, ‘দিনের বেলা একেবারেই গ্যাস থাকে না। রাতে নিভু নিভু করে যা থাকে তাতে কোনো কাজই করা যায় না। রান্না-খাওয়ার খুব কষ্ট হয়। তাই উপায় না পেয়ে মাটির চুলায় রান্না করতে হয়। মাটির চুলায় রান্না করেও মাসে মাসে গ্যাস বিল দিতে হয়।’সোনাকান্দা এলাকার বাসিন্দা ইমন হোসেন বলেন, ‘গ্যাসের ব্যাপারে বলার কিছু নেই। গত কয়েক মাস সকালে একদিনও বাসায় খেতে পারি না। দোকান থেকে নাস্তা কিনে খেতে হয়। বাসায় একটি লাকড়ির চুলা কিনে এনেছি। কিন্তু এই চুলা দিয়ে বাসার সবার রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। খুবই খারাপ অবস্থার মধ্যে আছি আমরা।’মদনপুর এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে রাত ১১টার পর গ্যাস থাকলেও এখন গভীর রাতেও গ্যাস পাওয়া যায় না। গ্যাসের অভাবে আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম স্থবির হয়ে গেছে।#

গাছ লাগান পরিবেশ বাচাঁন, যোগাযোগ ভাই ভাই নার্সারী মোবাইল – ০১৭১২২৫৬৫৯১

এ সম্পর্কিত আরো খবর...