শিরোনাম
দেশের শান্তি কামনায় দোয়া / পবিত্র আশুরা কারবালা স্মরণে তাজিয়া মিছিল ইয়া হোসাইন শোকের মাতম
রাকিব উল হাসান – নারায়ণগঞ্জের খবর প্রতিবেদকঃ পবিত্র আশুরায় প্রিয় নবীর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন শহীদানে কারবালার স্মরনে বিশ্ব তথা সারা দেশের মত নারায়ণগঞ্জেও তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্য ও যথাযোগ্য মর্যাদায় নফল রোজা, নামাজ, দান, মিলাদ, দোয়া সহ নানা রকম ধর্মীয় কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র আগুরার দিবসটি এবাদত বন্দিনীর মধ্য দিয়ে পালন করে।

জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসায় খুদবায় আশুরার দিনের শহীদানে কারবালা ও বিশ্ব নবী (সাঃ আঃ) এর বংশ আহালে বয়াত পাকপাঞ্জতন ইমাম হোসেনের শহীদ হওয়ার তাতপর্য্যপূর্ন ঘটনা স্মরন করে আলোচনা তুলে ধরা হয়।
দোয়া দুরূদ ও বিশেষ মেনাজাতের মাধ্যমে দেশের মানুষের মঙ্গল কামনা করে দোয়া করা হয়। শুক্রবার ২৬ জুন বিকেলে বাদ আছর শহীদানে কারবালা স্মরনে ফাতেহা শেষে শহরের বিভন্ন এলাকা থেকে তাজিয়া মিছিল বের করা হয়। শহরের পশ্চিম দেওভোগ চুনকা কুটিরে হযরত শাহ সৈয়দ খাঁজা নাজমুল হাসান খানকায়ে দারুল ইস্কে শহীদে কারবালার স্মরনে ফাতেহা শেষে বিশেষ দোয়া করা হয়। এসময় তরীকতের পীর বোন আশেকান ভক্তবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় আলী আহাম্মদ চুনকার মেয়ে সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী শহীদানে কারবালার ফাতেহায় অংশ গ্রহন করেন, এসময় উপস্থিতি ছিলেন, আলী আহাম্মদ চুনকার ছোট ছেলে আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জল, মোহাম্মদ আলী রেজা রিপনের ছেলে ও আলী আহাম্মদ চুনকা’র নাতি জারিফ আহাম্মদ চুনকা, আহাম্মদ চিশতি রাদিন সহ
পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ফাতেহা ও দোয়া মাহফিলে দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করে দোয়া করা হয়।
ফেতেহা শেষে দেশবাসির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া কামনা করা হয়।
পরে তাজিয়া ফাতেহা শেষে শহরে শহীদানে কারবালার স্মরনে তাজিয়া মিছিল বের করা হয়।
এসময় সাবেক জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও বিএনপি নেতা জাকির খান তাজিয়া মিছিলে অংশ নেন। এসময় জাকির খান শোকাবহ কারবালার শহীদানদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে তাজিয়া মিছিলে একাত্ততা প্রকাশ করেন।

পরে শহরে তাজিয়া মিছিল বের করা হয়। মিছিলে হায় হোসাইন হায় হেসাইন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় শহরের প্রধান প্রধান সড়ক। পবিত্র আশুরা দিনটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও শোকাবহ। হিজরি ৬১ সনের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর পরিবারের সদস্য সহ তাদের অনুসারীরা কারবালা প্রান্তরে শহীদ হন।
এ ছাড়া আরও অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল আশুরার দিনে। মুসলমানরা নফল রোজা, নামাজ, দানখয়রাত ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন। #



