সংস্কৃতি অঙ্গনে ক্ষোভ / জয় বাংলা শ্লোগান দেয়ার ঘটনায় আইভীর আইনজীবী সহ তিনজন গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের খবর প্রতিবেদকঃ আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার সময় জয় বাংলা শ্লোগান দেয়ার ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর মামলার আইনজীবী ও নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল, আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান তুষার সহ তিনজনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার ভোররাতে পৃথক অভিযানে শহরের আল্লামা ইকবাল রোড ও দেওভোগ পাক্কা রোডে তাদের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার বিকেলে তিন আসামীকে নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালতে হাজির করে পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত রিমান্ডের আবেদন শুনানী আগামী ১৫ অক্টোবর ধার্য্য করে আসামীদের কারাকারে পাঠানোর আদেশ দেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ও আবৃত্তিশিল্পী অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল, আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান তুষার ও কাজলের ভাই আতিকুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে মাহবুবুর রহমান তুষার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আসাদুজ্জামানের ছেলে।
এ বিষয়ে আইভীর মামলার প্রধান আইনজীবী এ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেছেন, আইভীর মামলার আইনজীবী জিয়াউল ইসলাম কাজল ও আইনজীবী তুষার দুইজনই পেশাদার আইনজীবী তারা রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত নন। সাবেক মেয়র আইভী আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার সময় জয় বাংলা ও জয়বাংলাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না শ্লোগান দেওয়ার ঘটনার সাথে কোন ভাবেই সম্পৃক্ত নয়। যার প্রমান ভিবিন্ন গনমাধ্যমের ফুটেজ।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের প্রধান উপদেষ্টা ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেছেন, মেয়র আইভীর মামলার আসামীদের গ্রেফতার করা এটা আইনের অপব্যাবহার। এডঃ কাজল ২৪ এর সরকার বিরোধী আন্দোলনো সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে রাজ পরে আন্দোলন করেছেন। তাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করায় সাংস্কৃতি মনা ও নগরবাসি ক্ষুব্ধ। সারকারের উচিত এ বিষয়গুলির দিকে নজর দেওয়া। অবিলম্বে তাদের মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, সাবেক মেয়র আইভী আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেলার পথে জয় বাংলা শ্লোগান দেয়। এসময় তার সাথে দলীয় নেতাকর্মী ও আইনজীরা উপস্থিত ছিল। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দেওয়ায় তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের পুরোনো একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাদের এজাহারে নাম না থাকলেও সন্দিগ্ধ হিসেবে তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের তিনজনকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। #



