নারায়ণগঞ্জ  | | |

শিরোনাম
  |   ফতুল্লায় কুবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে    |   প্রতারক দম্পতি এনজিওর ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে উদাও   |   মাকসুদা হত্যা মামলা রিমান্ড শেষে আসামী আদালতে প্রেরণ   |   আইনজীবী জালাল উদ্দিন ভূঁইয়া ও আফরোজা বেগমের মৃত্যুতে ‎শোকসভা ও দোয়া   |   কাশীপুরে ৫ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করলো লায়ন্স ক্লাব   |   বন্দরে আলোচিত মাকসুদা হত্যা মামলায় সাদ্দাম ও তায়েম হাবিব গ্রেপ্তার   |   শুক্রবার বন্দরে আহলে বায়াত কনফারেন্সে আসছেন স্কলার সাইফুল আজম বাবর আল-আজহারী   |   ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বন্দরের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান   |   বিশিষ্ট সার্জন অধ্যাপক ডক্টর কে এম আশরাফ আলী’র ইন্তেকাল   |   জয় বাংলা শ্লোগান দেয়ার ঘটনায় আইভীর আইনজীবী সহ তিনজন গ্রেপ্তার   |   বঙ্গসাথী ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ প্রয়াত মামুন স্মরনে আলোচনা দোয়া   |   কুমিল্লা ও মেঘনা ইকোনমিক জোন সংযোগ সড়ক নির্মাণে অংশীজন সভা   |   পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মহানগর বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ   |   সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও নাশকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার লক্ষ্যে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত   |   পরিকল্পিত ভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল   |   মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে তারেক জিয়া পরিষদের যোগদান   |   না’গঞ্জের ক্রীড়া সার্বিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন সরকার কাজ করবে – মাহাবুব উল আলম    |   আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল   |   নৈরাজ্যের প্রতিবাদে হাজী কামাল উদ্দিন’র নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল    |   মেগা প্রকল্পের আড়ালে বিপুল পরিমান অর্থ পাচার করা হয়েছে – জাকারিয়া সুমন
 প্রচ্ছদ   বিশেষ সংবাদ   মুছাপুরে মাকসুদ বাহিনীর হাতে এলাকাবাসি যুগের পর যুগ ধরে জিম্মি | এ থেকে মুক্তির দাবি
নৈরাজ্য / মুছাপুরে মাকসুদ বাহিনীর হাতে এলাকাবাসি যুগের পর যুগ ধরে জিম্মি | এ থেকে মুক্তির দাবি
  বিশেষ সংবাদ || নারায়ণগঞ্জেরখবর.কম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪

বন্দর প্রতিবেদকঃ ক্ষমতা পেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল বন্দর উপজেলার অপসারন হওয়া চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন ও তার পরিবারসহ তাদের  দোসররা। যারা আওয়ামীলীগ সরকারের ১৫ বছর ক্ষমতার অপব্যহার করে সুবিধা ভোগ করেছে। কিন্তু সম্প্রতি উপজেলা পরিষদের  নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে  ৫ কোটি টাকা খরচ করে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়। স্বাধীনতার আগে থেকে এ পরিবারের কাছে জিম্মি হয়ে আছে মুছাপুর ও কুড়িপাড়া এলাকাবাসী। এখনো ভয়ে কেহ কিছু বলতে পারেনা।

বিগত দিনের কর্মকান্ডে তাদের এখনো আতকে উঠতে হয়। এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের। গত ৫ আগষ্টে তাদের তান্ডবে মুছাপুর ইউনিয়নবাসীকে আবারো সেই পুরনো দিনের কথা মনে করিয়ে দেয়। গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশব্যাপী বিজয় উল্লাসের সুযোগে দেশে একটি শ্রেনী লোক ব্যাপক তান্ডব চালায়। সেই তান্ডবের একটি অংশ মুছাপুর ইউনিয়ন। চেয়ারম্যান মাকসুদ জেলা জাতীয়পার্টির সহ সভাপতি। তার নির্দেশে তার ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভর নেতৃত্বে মাকসুদ চেয়ারম্যানের পিএস ইকবাল, মনির মেম্বার, মনোয়ার মেম্বার, সোহেল মেম্বারসহ, ৪/৫শ’ লোক নিয়ে বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর মিয়ার বাড়ি, মুছাপুর ইউনিয়নের উপ- নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় বারপাড়া এলাকায় আলী হোসেনের বাড়ি, আনোয়ার মেম্বারের বাড়ি, মালিভীটা এলাকার সফরউদ্দিন মেম্বারের বাড়ি, শাসনেরবাগ এলাকায় জাপা নেতা রবিউল আউয়ালের বাড়ি, মতিউর রহমানের বাড়ি ও হরিবাড়ি এলাকার সৈয়দ আহাম্মদের বাড়িতে তান্ডব চালায়। তারা ভাংচুর চালিয়ে ক্ষান্ত হয়নি বাড়িতে আগুন দিয়ে সবকিছু জ্বালিয়ে দেয়। তারা সেই ৭১ এর পাক হানাদারের মত বর্বরতা চালায়। মুছাপুর ইউপির একাধিক ভ’ক্তভোগী জানান, মাকসুদ চেয়ারম্যান পরিবারের কাছে জিম্মি তারা যুগের পর যুগ ধরে তারা এ জিম্মি দশা থেকে মুক্ত হতে পারছেন না। মাকসুদ চেয়ারম্যানে পিতা প্রয়াত রফিক, তার ভাই প্রয়াত আনোয়ার, তিনি নিজে, তার ভাই প্রয়াত মোর্শেদ মুন্সী, প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেন কালু, ভাগিনা বিল্লাল মিলে ১৯৯৪ সালে লাঙ্গলবন্দ চিড়ইপাড়া ৫০/৬০ বৎসরের প্যারালাইজড রোগী রোজাদার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক ভূইয়াকে (বালার ছেলে) দিন দুপুরে কুপিয়ে খুন করে। ১৯৯২ সালে মাকসুদের বড় ভাই কালু সামান্য গরুর মাংস কেনার কথা কাটাকাটির ছলে, নিরহ কসাই নবী হোসেন কে কেটে টুকরো টুকরো করে বস্তায় বন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়। লাঙ্গলবন্দ যোগী পাড়ার আওয়ামী লীগ নেতা কাজী নুর মোহাম্মদের ছেলে মহসিনকে (মাকসুদের চাচাত শ্যালককে), রাজাকার পুত্র মাকসুদের নেতৃত্বে তার বড় ভাই আনোয়ার, ভাগিনা বিল্লাল, ভাগ্নি জামাই সেভেন মার্ডারের আসামী সেলিম কুপিয়ে মাথা কেটে, উপস্থিত লোকদের সামনে কাটা মাথা দিয়ে কুড়িপাড়া স্কুলে ফুটবল খেলেছে। ১৯৮৬ সালে খুন করে মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীনকে। যার বাড়ি ছিল লালখারবাগ। মাকসুদের চাচা মতিন, মালেক, চাচাতো ভাই ইকবাল মিলে মাকসুদের প্ররোচনায় হত্যা করে চাপাতলী গ্রামের নান্নু কাঠমিস্ত্রির ছেলে, মনির হোসেন কে।

নান্নুু ছিল মতিনেরই ফার্নিচার হাউজের কাঠ মিস্ত্রি। ২০০৪ সালে মাকসুদের ভাই আনোয়ার, ফুপাতো ভাই সালাউদ্দীন, ভাগিনা বিল্লাল, ভাগ্নি জামাই সেভন মার্ডারের আসামী সেলিম  ভাতিজা সম্রাট, তুহিন গংরা হত্যা করে মুরাদপুর গ্রামের দেলোয়ার কে। মাকসুদের ভাই আনোয়ার, ভাগিনা বিল্লাল, ফুপাতো ভাই সালাউদ্দীন মিলে খুন করে পাঠানটুলী নিবাসী এক বাস মালিক মোশারফকে। শুধু মাত্র সামান্য বাস ভাড়া নিয়ে কথা কাটকাটির কারনে। ৯৮ সালে মাকসুদের ভাই আনোয়ার, মাকসুদের ভাগ্নি জামাই সেলিম হত্যা করে চাঁনপুর দেওয়ানবাগের জুলহাসকে। ২০০৩ সালে মাকসুদের ফুপাত ভাই সালাউদ্দিন মুরাদপুরের নূরা, বাবুল দুই ভাই ও নিলুফাকে হত্যা করে। ১৯৯৮ সালে সেলিম, আনোয়ার, বিল্লাল তিন জন মিলে কুতুবপুরের একজন আদমজীর শ্রমিক, সুরু মিয়াকে চাঁদার জন্য আদমজী মিল ঘাট থেকে দিনের বেলায় কুড়িপাড়া ধরে নিয়ে আসে, নদীর পাড়ে নৌকায় রেখে তার দুই হাত বগল পর্যন্ত কেটে নেয়। তারা এত দুর্ধষ যা কনেকে বলতে গিয়ে আতকে উঠেন। গত ৫ আগষ্টে হামলার সরাসরি নেতৃত্বে দেয় মাকসুদ চেয়ারম্যান এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। এ ঘটনায় তারা মামলা করবে। এলাকাবাসী মাকসুদ চেয়ারম্যানের ও তার পরিবারের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চায়। #

গাছ লাগান পরিবেশ বাচাঁন, যোগাযোগ ভাই ভাই নার্সারী মোবাইল – ০১৭১২২৫৬৫৯১

ফেইসবুকে আমরা

এ সম্পর্কিত আরো খবর...