অভিযোগ / প্রবাসী স্ত্রী ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মানহানিকর মন্তব্য করায় অভিযোগ
বন্দর প্রতিবেদকঃ বন্দরে প্রবাসী স্ত্রী ছবি এডিট করে মানহানিকর ও বাজে মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

এ ঘটনায় গৃহবধূ নাজমা আক্তার বাদী সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চিহৃিত মাদক ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে কানা সোহাগ, তার স্ত্রী ঝর্না বেগম ও ফালানি বেগমকে আসামী করে বন্দর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করে তিনি। এর আগে গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) স্নেহা আক্তার নামীয় ফেইসবুক আইডি থেকে এ ভাইরালের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বাদিনীর স্বামী নবীর হোসেন দীর্ঘ দিন ধরে প্রবাসে জীবন যাপন করে আসছে।
বন্দর থানার ২০ নং ওয়ার্ডের মাহামুদনগর এলাকার মৃত ফুলচাঁন মিয়ার ছেলে ১নং বিবাদী সোহাগ ওরফে কানা সোহাগ একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বন্দর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মাদক ব্যবসা করার কারনে সোহাগ ওরফে কানা সোহাগের মজুদকৃত মাদকদ্রব্য বাদিনী বাসা বাড়িতে রাখার দীর্ঘ দিন ধরে টাকা প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল। তার কথা রাজি না হওয়ার কারনে ২ নং বিবাদী ঝর্না বেগমের কুপরামর্শে ১নং বিবাদী মাদক ব্যবসায়ী সোহাগ ওরফে কানা সোহাগ গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) sneha akter https//www facebook. com profile php id =61581133085177সহ বিভিন্ন ফেইক আইডি ব্যবহার করে অভিযোগের বাদিনী বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিজনক ও মানহানীকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করে সামাজিক ভাবে সম্মানহানি করে আসছে।

এ ছাড়াও গত ১ বছর পূর্বে বাদিনী প্রয়োজনে ১নং বিবাদী কানা সোহাগের কাছ ১ ভরি স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে ১ লাখ টাকা ধার নেয়ে। পরে ধারের টাকা পরিশোধ করে তার বন্ধকি স্বর্ণালংকার ফেরত নেই। মাদক রাখতে না দেওয়ার জের ধরে ১নং বিবাদী হুকুমে ৩নং বিবাদী ফালানি বেগমকে আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে আরো ১ লাখ টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না পেলে অভিযোগের বাদিনী ও তার ছেলেকে বড় রকমের ক্ষতিসাধন করবে বলে হুমকি প্রদান করা হয়। মাদক কারবারি কানা সোহাগ ও তার স্ত্রী ঝর্না বেগমের হুমকি দামকি কারনে বাদিনী ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ভূগছে। এ অবস্থা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বন্দর থানার সুযোগ্য ওসি জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগী প্রবাসী স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা।#



