অভিযোগ / ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ এহসান চেয়ারম্যানের দুর্নীতি তদন্তে মাঠে নেমেছে দুদক
বন্দর প্রতিবেদকঃ বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ এহসান উদ্দিনের নানা দুর্নীতি নিয়ে তদন্তে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।

ভূক্তভোগী নারী দুর্নীতি দমন কমিশনে দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার (১১ মে) দুপুরে বন্দরের নবীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডে রেলওয়ে জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় তদন্তে আসে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি টিম।
চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসন আমলে নবীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডে রেলওয়ের জমি দখল করে শতাধিক সেমিপাঁকা দোকান ঘর নির্মান করে বিভিন্ন জনের কাছে ভাড়া দিয়ে প্রতিমাসে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এ ছাড়াও চেয়ারম্যান এহসানের সাথে দোকানী তাজুল ইসলামের এক চুক্তিপত্র দলিলে দেখা গেছে চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন নগদ ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে মাসে সাড়ে ৫ হাজার টাকায় দোকান ভাড়া দেন।
বিষয়টি দুদকের নজরে আসলে দুদক সোমবার দুপুরে উল্লেখিত জায়গায় সরে জমিনে তদন্তে আসে।
তদন্ত কালে উপস্থিত ছিলেন দুদকের উপ পরিচালক সাবিকুন্নাহর পারুল ও সিভিল সহকারী মিজানুর রহমানসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
দুদকের উপ পরিচালক সাবিকুন্নাহার পারুল জানান, সরকারি জমিতে অবৈধ ভাবে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করে ভাড়া আদায় করে যাচ্ছে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিনসহ তার সা। কিন্তু তার নামে রেলের জমির কোন লীজ নেই।

১৯৯৫ সাল থেকে এ জমির লীজ রয়েছে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেনর স্ত্রী সুলতানা নিলুফার নামে। কিন্তু তিনি লীজকৃত জমির দখল না পেয়ে দুদকে অভিযোগ করেন। দুদকের তদন্তে সরকারি জমি দখল করে দোকান ভাড়া দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রমাণ পাওয়ায় দুদক এর আগে এহসান চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা আদায়ের জন্য হাইকোটে পিটিশন দায়ের করেন। এ ব্যপারে এহসান চেয়ারম্যানকে ফোন দিলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার ম্যানেজার আশ্রাব উদ্দিনের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, আমরা রেলওয়ের কাছে বাণিজ্যিক লীজের জন্য আবেদন করেছি।
এ ব্যপারে রেলওয়ের স্টেট অফিসার কুমার দাস বলেন, নাজির ও নিলুফা বেগম নামে দুই জনের লীজ বাতিল করা হয়েছে। তারা কৃষি লীজ নিয়ে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করায় তাদের লীজ বাতিল করা হয়।#



