শিরোনাম
আসামীদের আটক করতে অভিযান / দুই পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে র্শটগান লুটের ঘটনায় পুলিশের অভিযান
বন্দর প্রতিবেদকঃ বন্দরে দুই পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করে র্শটগান ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক নারীসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার ৪ ঘন্টার ব্যবধানে লুট হওয়া অস্ত্রটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পযর্ন্ত উপজেলার হাবিবপুর,কাজীপাড়া ও রুস্তমপুরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান করে পুলিশের একাধিক টিম।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, সিফাত, শাহারিয়া তানভীর ও আবু সুফিয়ান নামে তিন ব্যক্তি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ে ঘটনায়। জরুরি পুলিশ সেবা (৯৯৯) এর কলের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার ডিউটিতে থাকা এএসআই সোহেল রানা ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া দেয়। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ১৪/১৫ জনের একটি সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা পুলিশের উপর হামলা করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কনস্টেবল ফয়সালকে কুপিয়ে ডান হাতের দুটি আঙুল ও পেট কেটে জখম করে পুলিশের শর্টগান লুট করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ অভিযান গুলু মিয়া বাড়ি থেকে শর্টগান উদ্ধার করে। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযানে চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
আটককৃতরা হলো পুরান বন্দর চৌধুরীবাড়ী এলাকার আব্দুল কাদির মিয়ার ছেলে আলামিন (২৬) এক এলাকার আনোয়ার মিয়ার ছেলে সিফাত (২২) একই এলাকার মৃত কিসমত আলী মিয়ার ছেলে আমির (৬৮) তার স্ত্রী সালমা বেগম (৬২) তার ছেলে সাব্বির (৩০)। শুক্রবার (১ মে) দিবাগত রাত ৩টায় থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এদেরকে আটকের পর সকাল সোয়া ৬টার দিকে পুরান বন্দর চৌধুরীবাড়ী এলকার একটি গাছের নিচ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া অস্ত্রটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এ ব্যাপারে আটককৃতদের বিরুদ্ধ বন্দর থানার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সন্ত্রাসী হামলায় আহতরা হলো এএসআই সোহেল (৪০) ও কনস্টেবল ফয়সাল (৩২)। খবর পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে প্রেরণ করলে গুরুত্বর জখমপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল ফয়সালকে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ঢাকা রাজারবাগে প্রেরণ করে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, রাতে তিনজন যুবক ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন বলে থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে টহলে থাকা এএসআই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি টিম প্রাথমিক তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে যায়। “পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে ১০ থেকে ১৫ জন ছিনতাইকারী দল ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশের উপর হামলা করে। এতে কনস্টেবল ফয়সাল ও এএসআই সোহেল রানা গুরুতর জখম হন।” পরে পুলিশের আরেকটি দল খবর পেয়ে আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে কনস্টেবল ফয়সালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত আটককৃত থানা হাজতে আটক আছে বলে থানার ডিউটি অফিসার সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ শহরের নিতাইগঞ্জে নগরভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু সড়কের উপর পুলিশের পোশাক পরা এক সদস্যের মোটরসাইকেল থামিয়ে ধারালো অস্ত্রের মুখে তার সরকারি পিস্তলটি ছিনতাই করে তিনজন যুবক। যদিও পরে অস্ত্রটি উদ্ধার ও জড়িত হিসেবে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনার এক সপ্তাহ না পেরোতেই ১৫ মার্চ শহরের উকিলপাড়া রেললাইনে মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক বিক্রেতাদের মারধরের শিকার হন রেল পুলিশের দুʼজন সদস্য।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, সিফাত, শাহারিয়া তানভীর ও আবু সুফিয়ান নামে তিন ব্যক্তি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ে ঘটনায়। জরুরি পুলিশ সেবা (৯৯৯) এর কলের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার ডিউটিতে থাকা এএসআই সোহেল রানা ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া দেয়। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ১৪/১৫ জনের একটি সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা পুলিশের উপর হামলা করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কনস্টেবল ফয়সালকে কুপিয়ে ডান হাতের দুটি আঙুল ও পেট কেটে জখম করে পুলিশের শর্টগান লুট করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ অভিযান গুলু মিয়া বাড়ি থেকে শর্টগান উদ্ধার করে। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযানে চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। #



